করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ 14 ঘন্টা ধরে পরে।

করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ 14 ঘন্টা ধরে পরে কেন ? বিস্তারিত পড়ুন

করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ ঃ করোনা আক্রান্তে কলকাতা মারা গেছেন অনেকেই। করোনা কেড়ে নিয়েছে অনেকের অনেক প্রিয় মানুষ কে। করোনা আক্রান্তদের সংখ্যায় পিছিয়ে নিয়ে বাংলা। প্রতিদিন আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে আবার অনেকেই সুস্থ হয়ে ফিরছেন। আর অনেকের সাথে আর দেখা হচ্ছে তাদের প্রিয়জনদের সাথে। করোনা আক্রান্তের ফলে মারা যাচ্ছেন অনেক মানুষ।

অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ বন্ধ করতে বলল বাংলাদেশ বিস্তারিত পড়ুন

করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ 14 ঘন্টা ধরে পরে

করোনা আক্রান্তদের হয়রানি থেকে শুরু করে হাসপাতাল হাসপতাল ঘুরে অবশেষে মারা যাওয়া ইত্যাদি নানা ঘটনার সাক্ষী হয়ে চলেছে আমাদের প্রিয় শহর কলকাতা। আবার অর একটি অমানবিক ঘটনা ঘটল কলকাতা শহরে।

করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ 14 ঘন্টা ধরে পরে। অমানবিক শহর কলকাতা

14 ঘন্টা ধরে বাড়িতে পরে করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ। ঘটনাটি ঘেটেছে বেহালার সাহাপুর মেন রোডে। পরিবার দাবি করেছে, গতকাল 26শে জুলাই 2020, প্রায় রাত বারোটা নাগাদ পরিবারের ষাট বছর বয়সী পৌঢ়ের মৃত্য ঘটে। তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। এমন কি ঐ পরিবারের আরোও তিন জন সদস্যরাও করোনায় আক্রান্ত।

পরিবারের অভিযোগ

পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওনারা স্থানীয় বিদায়ী কাউন্সিলার এবং স্থানীয় পুলিশকে পৌঢ়ের মৃত্যুর খবর জানান এবং বলেন ঐ ব্যাক্তির বয়স ষাট বছর যিনি বাড়িতে থেকে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলার জন্য চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে কেউ সাহায্য করতে এসেনি। প্রায় 14 ঘন্টা ধরে মৃতদেহ বাড়িতেই পরে থাকে। স্থানীয় বিদায়ী কাউন্সিলার ( 119 নং ওর্য়াড ) অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সৎকারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মমতার নতুন কর্মসূচী তে – সোজা বাংলায় বলছি – বিস্তারিত জানুন

দেখতে দেখতে অনেক দিন কেটে গেল। করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মোকাবিলার জন্য শুরু লকডাউন প্রক্রিয়া তবুও বহু মানুষ আক্রান্ত। শুধুই প্রশাসনের ব্যর্থতা ! আমরা কি সত্যি সচেতন ! যদি আমরা সচেতন হতাম তাহলে দিন দিন করোনা ভাইরাসের প্রকোপের ফলে আক্রান্তদের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে যেতো না। না হি অনেকে করোনা সংক্রামনের ফলে প্রাণ হারাতো। যারা নিজেদের সাথে লড়াই করতে সক্ষম হচ্ছেন তারা সুস্থ হচ্ছেন। আর যারা পারছেন না, তারা তাদের প্রিয়জনের সাথে শেষ দেখা করারও সুযোগ পাচ্ছে না।

মোহিনী গণেশ মন্ত্র দ্বারা কি ভাবে কার্য সিদ্ধি হবে জানতে – পড়ুন সৌভাগ্যের বন্ধু জ্যোতিষ পত্রিকা – এই লিঙ্কটি ওপেন করে

লকডাউন নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই তথা কাদা ছোড়াছুড়িও তো কম হচ্ছে না। মানুষ কে সচেতন হতে হবে। এই ভাইরাস হয়তো খুব তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে যাবে না। বরং আমাদের ক্রমশ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

এই করোনা শুধু প্রানই কেড়ে নেয় নি। অর্থনীতি পরিকাঠামোও ক্রমশ শেষ করে দিয়েছে। ফলে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। অনেকেরই ব্যবসা বানিজ্য বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। পরিস্থিতির সাথেও লড়াই করতে হচ্ছে সাধারন মানুষকে। সকলে সর্তক থাকুন। আমাদের লড়াই এখনো শেষ হয় নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »