ব্রিটেনের Prince Charles করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন

Breaking News : ব্রিটেনের Prince Charles করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার বর্তমান বয়স 71 বছর। এত সর্তকতার পরেও কিভাবে দেশের রাজকুমারের দেহে পাওয়া গেল করোনা ভাইরাস প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে !

করোনা ভাইরাসের থাবায় সারাবিশ্ব আতঙ্কিত। প্রতিটি দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রামনে বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।

Prince Charles করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। একটি উল্লেখযোগ্য বড় খবর হল গ্রেট ব্রিটেনের রাজকুমার Prince Charles আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে।

আগেও ব্রিটেনের বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে এবার করোনার থাবা রাজপরিবারে।

ব্রিটেনের সংবাদ মাধ্যম কে রাজপরিবারের পক্ষ থেকে এই খবরটি জানানো হয়েছে, যে রাজকুমার Prince Charles এর শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রামন পাওয়া গিয়েছে। ওনার বয়স 71 বছর তবে শারীরিক ভাবে তিনি স্থিতিশীল।

রাকুমারের স্ত্রী ক্যামিলার শারীরিক পরীক্ষা করেছেন চিকিৎসকরা। তবে তাঁর শরীরে এখনো করোনা ভাইরাসের সংক্রামন পাওয়া যায় নি। তবে দুজনেই বারমোলে আইসোলেশনে রয়েছেন।

তিনি তো বাড়িতেই ছিলেন এবং সর্তকতার সাথে তাকে রাখা হয়েছিল তবে কি করে এই করোনা ভাইরাস তার শরীরে প্রবেশ করল তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

ব্রিটেনে এখনো 422 জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

তাঁর এই আক্রান্ত হওয়ার খবরে নতুন আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বাকিংহাম প্যালেসে। সেখানকার বয়জ্যেষ্ঠ সদস্যরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত কয়েকদিন আগেও হ্যান্ডশেক এড়িয়ে নমস্তে করতে দেখা গিয়েছে প্রিন্স চার্লসকে। তা সত্বেও এই রোগে আক্রান্ত হলেন তিনি।

ব্রিটেনেও তিন সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করে ছিলেন মাননীয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি সোমবার লন্ডনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় লকডাউনের কথা ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানিয়েছেন, এই লকডাউন চলাকালীন একবার ব্যায়াম, জরুরি পণ্যসামগ্রী ও ওষুধ কেনা ছাড়া কেউ আর ঘরের বাইরে পা রাখতে পারবে না। একসঙ্গে দু’জনের বেশি কোথাও জমায়েত করা যাবে না। আইন ভঙ্গকারীদের শাস্তির হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কেউ লকডাউন আইন অমান্য বা ভঙ্গ করলে সেক্ষেত্রে জরিমানা হবে ৩০ পাউন্ড । কেউ নির্দেশ না মানলে তার বিপক্ষে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে তিনি জানান৷

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, এই তিন সপ্তাহে একমাত্র নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানপাট ছাড়া সবকিছুই বন্ধ রাখা হবে। দেশের জনগনকে তিনি অবশ্যই বাড়িতে থাকতে বলেছেন। লাইব্রেরি, খেলার স্থান, ব্যায়ামাগার এমনকি উপাসনালয়ও এই সময় বন্ধ রাখা হবে বলে ঘোষণা করেন তিনি। পার্ক খোলা থাকলেও জনসমাগম সীমিত থাকবে না বলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ৷

আরো খবর পড়ুন করোনার পর Hantavirus এর খোঁজ পাওয়া গেল চীনে

সামাজিক অনুষ্ঠান, বিয়ে ও ধর্মীয় সমাবেশ আপাতত বন্ধই থাকবে। তিন সপ্তাহ পর পরিস্থিতি বুঝে ঠিক করা হবে পরবর্তী পর্যায়ে কি করণীয়৷

দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে বরিস জনসনের অভিমত, করোনাভাইরাস মোকাবিলাই হল ব্রিটেনের কাছে শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকির বিষয়। এই ভাইরাসের বিস্তার আটকাতে না পারলে এক ভয়ানক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে সারা বিশ্বকে ৷

আরাে পড়ুন চীনের বিরুদ্ধে 20 ট্রিলিয়ন ডলারের মামলা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

তাই এই পরিস্থিতিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তা নাহলে এমন একটা সময় আসবে যখন বিশ্বের কোনও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই এই করোনা ভাইরাসের মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে না ৷ কারণ মৃত্যুর হার তখন এমন পর্যায়ে পৌঁছে যাবে যে চিকিৎসার জন্য ডাক্তার, নার্স এমনকি ভেনটিলেট, ইনটেনসিভ বেড কোনও কিছুই তখন পাওয়া যাবে না।

তাই সকলে সর্তক থাকুন। অযথা আতঙ্কিত হবেন না। একমাত্র সর্তকতাই হল করোনা ভাইরাস দমন করার প্রধান হাতিয়ার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »