ধারাভি তে বিপুল সংক্রমণের আশঙ্কা

আরো ঝুঁকি বেড়ে গেল মুম্বাইয়ের ধারাভি বস্তির। তবলিঘি ই জামাতের সদস্যদের করোনা আক্রান্ত্রে মৃত ব্যবসায়ীর বাড়িতে থাকার ফলে, ধারাভি বস্তি জুড়ে বিপুল সংক্রমনের আশঙ্কা । বিস্তারিত পড়ুন

ভারত তথা এশিয়ার সবথেকে বড় বস্তি বলে পরিচিত মুম্বাইয়ের ধারাভি অঞ্চল। বহু লোকের বসবাস এই অঞ্চলে। মুম্বাইয়ে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে তিন জন এই ধারাভি বস্তির বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, এই ধারাভি বস্তিতেই করোনা আক্রান্তে মৃত এক কাপড়ের ব্যবসায়ীর বাড়িতে ছিল দিল্লীর নিজামুদ্দিন অনুষ্ঠানে তবলিঘ-ই-জামাতের ১০ সদস্য। এই খবর সামনে আসার পর থেকে আরো বড় সংক্রামনের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে সারা দেশে করোনায় আক্রান্তদের মোট 30 শতাংশই হচ্ছে দিল্লীর নিজামুদ্দিন অনুষ্ঠানে তবলিঘ-ই-জামাতের সদস্য। ধারাভি বস্তিতে যে ব্যবসায়ী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার বয়স 56 বছর, তার বাড়ির লোকেরা জানিয়ে গত 22 মার্চ থেকে 24 মার্চ দিল্লীর নিজামুদ্দিন অনুষ্ঠানে তবলিঘ-ই-জামাতের 10 জন সদস্য ছিলেন ঐ বাড়িতে। এবং তারা সকলেই কেরল থেকে এসেছিলেন। ফিরে যাওয়ার আগে তাদের মধ্যে 4 জন পুনরায় ঐ বাড়িতে এসেছিলেন।

আরো তাজা খবর তবলিঘ-ই-জামাত করোনা আক্রান্তদের মধ্যে 30 শতাংশ

শাহ নগর পুলিশ সূত্রের খবর, দিল্লীর নিজামুদ্দিন অনুষ্ঠানে তবলিঘ-ই-জামাতের যে সকল সদস্যরা ঐ বাড়িতে এসেছিলেন তার থেকে ঐ ব্যবসায়ী করোনা আক্রান্ত হয়েছে কি না সে বিষয় এখনো জানা যায়নি। তবে কেরাল সরকারকে জানানো হয়েছে। ঐ 10 জনের খোঁজ চলছে।

যেহেতু করোনা ভাইরাস এক মহামারি রূপে ছড়িয়ে পরছে ফলে সর্তক না থেকে এই জনসংযোগ বা জমায়েত এর ফল আরো ভয়ঙ্কর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ঐ ব্যবসায়ী মারা যাওয়ার আগে কোথায় কোথায় ঐ 14 দিন বা কাদের সাথে মেলা মেশা করেছেন সেই সব খুটিয়ে দেখা হচ্ছে।

একে করোনা ভাইরাসের মহামারি আবার অন্যদিকে এই অবস্থায় আরো ছড়িয়ে পরতে পারে এর মারণ ব্যধি তাই সকলে তৎপরতার সাথে বিভিন্ন বিষয় খুটিয়ে দেখছেন। এছাড়া ঐ 10জনের সাথে কারা মেলামেশা করেছেন ইত্যাদিও খোজখবর নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে মহারাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্তদের সংখ্যা 423 জন ছাড়িয়ে গেছে। মারা গেছেন মোট 19 জন। তার মধ্যে ধারাভির বাসিন্দা হলেব তিন জন। একই স্থানে তিন জনের মারা যাওয়াতে ধারাভি বস্তিতে করোনা সংক্রমনের বাড়বাড়ন্ত হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।

আর যদি সত্যি ঐ বস্তিতে যদি করোনা ভাইরাস আরে বেশী মাত্রায় ছড়িয়ে পরে তাহলে তা প্রতিরোধ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে। তাই এখন থেকে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

প্রত্যেকে সর্তক থাকুন। লকডাউন প্রক্রিয়া মেনে চলুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »