লেক কালী বাড়ির ইতিহাস, পঞ্চমুন্ডির আসনে বিরাজ করছেন মা করুনাময়ী !

লেক কালী বাড়ির ইতিহাস – মা কালীর এই মন্দিরটি অবস্থিত কলকাতার রবীন্দ্র সরোবরের (ঢাকুরিয়া লেক) ধারে সাউদার্ন অ্যাভিনিউ-এ। এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন হরিপদ চক্রবর্তী। ১৯৪৯ সালে তিনি এই মন্দিরটির প্রতিষ্ঠা করেন। এই মন্দিরটির একটি পোষাকি নাম রয়েছে ,সেটি হচ্ছে শ্রীশ্রী ১০৮ করুণাময়ী কালীমাতা মন্দির। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই মন্দিরের ইতিহাস। 

অপরদিকে এই মন্দিরের মধ্যে মা কালীর যে মূর্তিটি রয়েছে তার নাম “করুণাময়ী কালী”।

২০০২ সাল নাগাদ এই মন্দিরের সংস্কার করার কাজটি আরম্ভ হয়। খুব দ্রুত এই মন্দিরটিকে সংস্কার করে একটি বিশাল মন্দিরে পরিণত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। বর্তমানে এই মন্দিরের সংস্কার কার্য শেষ হয়ে গিয়েছে এবং এটি বিশাল মন্দিরের রূপ পেয়েছে।দক্ষিণী অ্যাভিনিউতে অবস্থিত, কালীবাড়ী হ’ল ১৯৪৯ সালে হরিপদ চক্রবর্তী প্রতিষ্ঠিত একটি জনপ্রিয় কালী মন্দির ।

https://2017kemonjabe.information.wordpress.com/2020/08/kali.jpg

আর মা এর এই রূপেরই মর্ত্যে পুজো করা হয়।অগুন্তি ভক্ত রয়েছে মা এর।তবে বিশেষ করে সাধু,সন্ন্যাসীরাএবং তান্ত্রিকরা এই মা কালীর পুজো করে থাকেন।বর্তমানে সাধরন মানুষের ঢলও দেখা যায় এই মা এর কাছে।বিভিন্ন স্থানে মা কালীর যত্ন সহকারে পুজো অর্চনা করেন তাঁর ভক্তরা।বহু জায়গায় মা কালীর বহু মন্দির রয়েছে ।আজ আমরা এরকম একটি মায়ের মন্দিরের কথা আপনাদের জানাবো।

এই মন্দিরের অন্যতম একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যে এখানে মা কালী পঞ্চমুন্ডীর আসনে অধিষ্ঠিত রয়েছেন । তবে এই মন্দিরের পূর্বনাম ছিল ‘শ্রী করুণাময়ী কালীমাতা মন্দির’ । এই নামে মূলত পরিচিত ছিল ‘করুণাময়ী’র ।কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে নামটির বদল ঘটিয়ে বর্তমানে লেক কালীবাড়ি নামে পরিচিত হয় এই মন্দির। মন্দির পরিচালনার জন্য একটি ট্রাস্ট রয়েছে। তাই এখন করুণাময়ী কালীমাতা ট্রাস্টের অধীনে।

হরিপদ চক্রবর্তী এই মন্দিরে পঞ্চমুন্ডির আসন প্রতিষ্ঠা করেন। যা এখনও মন্দিরে বিদ্যমান! এটি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ একটি কালী মন্দির। অনেক ভক্তের সমাগম ঘটে এখানে। কালী ভক্তদের কাছে একটি প্রিয় উপাসনা স্থান হলো এই লেক কালীবাড়ি। এখানে আসলে এক আলাদা রকমের শান্তি অনুভব হয়। এই লেক কালীবাড়ি লেকের পিছনের যে ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে তা অত্যন্ত রহস্যজনক।

বাড়িতে বসে কাজ করতে চান। জেনে নিন বিস্তারিত 

এটি নিয়মিত দিন বা উত্সব হোক, কালী বারী হ্রদ সর্বদা ভক্তদের দ্বারা পূর্ণ থাকে। শহরে অবস্থিত বিভিন্ন কালিবাড়ি গুলির মধ্যে এটি হয়তো সবচেয়ে ছোট মন্দির তবে তাতে কোনো ভাবে কোনো প্রভাব এই মন্দিরের উপর পড়েনি। পাশাপাশি এই মন্দিরের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফুলের বিক্রেতাদের থেকে শুরু করে পুরোহিতদের কাছে, আপনি মন্দিরের প্রবেশের পরে থেকেই মন্দিরটি আপনার মনের আধ্যাত্মিকতাকে জাগিয়ে তুলবে।

এই মন্দিরের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল মাকে পূজো করার জন্য কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না। কোন প্রকার কষ্ট ছাড়াই আপনি মায়ের কাছে গিয়ে সুসম্পন্ন ভাবে মাকে পুজো দিতে পারবেন। মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতি মঙ্গল এবং শনিবার মায়ের পূজা করার জন্য ভক্তদের সমাগম হয়।

জ্যোতিষ পত্রিকায় পড়ুন সমস্যার সমাধান 

এই মন্দিরে ১৫ মিনিট পর পর মাকে অঞ্জলি দেওয়ার পর্ব চলে ।যাতে প্রতিটি মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে মায়ের কাছে গিয়ে মায়ের পূজা করতে পারেন। আপনারা যদি এখনো এই মায়ের মন্দির না দেখে থাকেন। তাহলে অবশ্যই যাবেন। আপনাদের ভালো লাগবে। আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন টি পড়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনারা তো জানলেন এবার এই প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করে অন্যদের জানিয়ে দেবেন।

একদিন সময় করে ঘুরে আসতে পারে লেক কালী বাড়ি সাক্ষাৎ দর্শন করে নেবেন মা করুনাময়ী এবং সাক্ষী থাকবেন লেক কালী বাড়ির ইতিহাস এর সাথে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »