করোনা প্রতিষেধক আবিষ্কারের এক ধাপ এগোল ইজরায়েল

করোনা প্রতিষেধক আবিষ্কার হলে কিভাবে তা ব্যবহার করা হবে ? 

করোনা প্রতিষেধক

করোনা ভাইরাসে সারাবিশ্ব সর্তক ও আতঙ্কিত। এদিকে বেড়ে চলেছে আক্রান্তদের সংখ্যা অন্যদিকে পাল্লা দিয়ে মারা যাচ্ছেন বহু মানুষ। সারাবিশ্বে মহামারির আকার ধারণ করেছে করোনা ভাইরাস।

একাধিক দেশ এখনো করোনা মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। চলছে লকডাউন। আর একদিকে চলছে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের লড়াই।

আরো পড়ুন Convid 19 নিয়ে কিছু দরকারি তথ্য প্রত্যেকে শেয়ার করুন

ইজরায়েল সেনার বায়ো কেনিক্যাল ডিফেন্স ল্যাবে পরীক্ষা করা হল করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধকের প্রোটো টাইপ। এর ফলে আর কিছুটা এগিয়ে যাওয়া হল করোনা ভাইরাস মোকাবিলায়।

কোনো দেশ আগে এই প্রতিষেধক আবিষ্কার করবে এই নিয়ে লড়াই চলছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে সকলে নিজের নিজের কর্মক্ষমতা ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের।

এক্ষেত্রে কিছুটা আশার আলো দেখালো ইজরায়েল। যাতে সকলের প্রচেষ্টায় এই করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করা যায় এখন সেটাই লক্ষ্য। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সকল চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিকদের সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্রের খবর, করোনা মোকাবিলায় করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধকের এখন শুধু প্রোটো টাইপের পরীক্ষা করে হয়েছে। পরীক্ষা সফল হলে তবেই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু দফতরের কর্মীদের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, আইআইবিআর ডিরেক্টর শ্মুয়েল শাফিরা জানিয়েছেন এটি এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।তবে চূড়ান্ত মন্তব্যের আগে এই প্রোটো টাইপের পরীক্ষা করার দরকার রয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগবে তবে ঠিক কতদিন সময় লাগবে তা এইসময় বলা যাচ্ছে না। তবে জানা গিয়েছে ইতিমধ্যে সেই পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ শুরু করা হয়েছে। যাতে খুব তাড়াতাড়ি এই করোনা ভাইরাস রোধে কোন একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেই কারণে এই প্রায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ করা হচ্ছে। যাতে আর বেশী মানুষের সংক্রমণ হওয়ার আগেই রোধ করা যায় এই মারণ রূপী করোনা ভাইরাস কে।

আগেই আইআইবিআর প্রধান ইরান জাহাভি জানিয়েছিলেন মোট বিজ্ঞানীরা তিনটি দলে ভাগ হয়ে দিন রাত পরিশ্রম করে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত গবেষণা করে চলেছেন যাতে এর সঠিক প্রতিষেধক পাওয়া যায়। তিনি আরও জানিয়েছেন সকলের সঙ্গে মিলে যৌথ ভাবে আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন এই ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের।

তবে যেহেতু সকলে মিলে এই ভাইরাস নিয়ে কাজ করছেন তাই যাতে কোন রকম বিপদ না ঘটে তাই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ধীরে ধীরে কাজ করতে হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে সে দেশে সে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪৪৭৩। এছাড়া মারা গিয়েছেন বেশ কয়েকজন। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এমনকি ইজরায়েলও চলছে লকডাউন।

আরো পড়ুন Convid 19 নিয়ে কিছু দরকারি তথ্য প্রত্যেকে শেয়ার করুন

সূত্রের খবর, ভাইরাস আতঙ্কের পরে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং সেই দেশের সেনা প্রধান আভিভ কহেভি সেলফ আইসলেশনে গিয়েছিলেন । কিন্তু পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার পরে তাদের শরীরে এই ভাইরাসের হদিশ না মেলাতে কিছুটা হলেও স্বস্তির শ্বাস ফেলেছেন গোটা দেশ। তবে সেনাপ্রধানের ডাক্তারি রিপোর্ট এখনও আসেনি। হাতে রিপোর্ট পাওয়ার পরে বোঝা যাবে তার শরীরের বর্তমান অবস্থা কেমন।

তবে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধকের পরীক্ষা করাও সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় এখন। কারণ এই মারণ ভাইরাস যেহেতু প্রানীর শরীরে কোন প্রভাব ফেলে না সেই কারণে এই ভাইরাসের প্রতিষেধকের পরীক্ষার বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হচ্ছে সকলকে যারা এই হবেষনায় যুক্ত আছেন। এছাড়া ইতিমধ্যে যে সকল ব্যক্তি এই ভাইরাস থেকে সেরে উঠেছেন তাদের শরীরের প্লাজমা সংরক্ষনে সচেষ্ট করা হয়েছেন আই আই বি আর পক্ষ থেকে । আশা করা যাচ্ছে, সেই দিক থেকে কোন না কোন সুত্র পাওয়া যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »