অ্যাম্বুল্যান্সে করে পাচার হওয়া মদ উদ্ধার

অ্যাম্বুল্যান্সের রোগী নিয়ে যাওয়ার নামকরে পাচার হচ্ছিল দামি বিদেশী মদ। কি ভাবে ধরা পড়ল সেই মদপাচারকারী চক্র, বিস্তারিত জেনে নিন।

অ্যাম্বুল্যান্সে পাচার বিদেশি মদ অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতর থেকে উদ্ধার হল বোতল বোতল বিদেশি মদ। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার ইংরেজবাজার এলাকায়।

পরবর্তী খবর মৃতদেহ এ কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে করোনা ভাইরাস।

করোনা মহামারি নিয়ে রাজ্যে চলছে লকডাউন। কার্যত বন্ধ অফিস থেকে শুরু করে স্কুল কলেজ ইত্যাদি। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবা সহ নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার ইত্যাদি খোলা আছে। তাও একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। রাস্তায় পুলিশের সক্রিয় অবস্থান যাতে লকডাউন প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে কার্যকর করা যায়।

তবে মদ্যপানকারীদের কথা মাথায় রেখে তাদের চাহিদা মেটানো জন্য কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে মদ পৌছে দেওয়ার কাজ করছে।

লকডাউন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই পুলিস এবং আফগারি দফতরের কাছে প্রায় বেআইনিভাবে মদ বিক্রির খবর আসছিল। অনেক ক্ষেত্রেই লুকিয়ে চুরিয়ে নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে মদ বিক্রি করা হচ্ছিল। কয়েকটি নম্বরে ফোন করলেই নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছিল দামি দামি বিদেশি মদ। এক্ষেত্রে মদ বিক্রেতারা বিভিন্ন এজেন্ট ও রাস্তার ধারে অবস্থিত ধাবাগুলিকে কাজে লাগাচ্ছিলেন। 

অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশি অভিযান চালিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতর থেকে উদ্ধার হল বিদেশি মদ। বোতল বোতল বিদেশী মদ পাচার করা হচ্ছিল অ্যাম্বুল্যান্সের সাহায্যে।

অ্যাম্বুল্যান্সে পাচার বিদেশি মদ ঃ

ঘটনাটি ঘটেছে মালদার জেলার হবিবপুরে। অ্যাম্বুল্যান্সে করে এভাবে মদ পাচারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মদ বিক্রির এই চক্রকে ধরতে সক্রিয় হয় পুলিস। ইংরেজবাজার থানার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন দোকানগুলির উপর বিশেষ নজর রাখতে শুরু করে পুলিসের একটি দল। এরপর শুক্রবার সকালে একটি অ্যাম্বুল্যান্স আটক করা হয় হবিবপুর  থানার পুলিসের পক্ষ থেকে। সেই অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতর থেকেই উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ বিদেশি মদ। 

মদ্যপ্রিয় মানুষের চাহিদা মেটাতে অবশেষে অভিনব পদ্ধতিতে মদ পাচারকারী চক্র ধরা পড়াতে যারা বাড়িতে বসেই নিজেদের চাহিদার যোগান মেটাচ্ছিল তাদের মাথায় হাত।

লকডাউনের সময় এই মদ্য পাচারকারী চক্র অধিক দামে মদ বিক্রি করায় বেশ মুনাফা দেখতে পাচ্ছিল।

এখন পুলিশ ও আফগারি দপ্তরের যৌথ প্রয়াসে তাদের এই ব্যবসা বন্ধ। বাজেয়াপ্ত করা হল বোতল বোতল বিদেশী মদ। কারা এই কারবারের সাথে যুক্ত তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। কার্যত অ্যাম্বুল্যান্সের মালিক কে খুজে বার করা হবে।

নিজের গ্রহদোষ নিজেই কাটান

সারা রাজ্যের আরো বিভিন্ন স্থানে এই রকম ব্যবসা চলছে কি না তা নিয়ে বিশেষ তৎপর আফগারি দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন।

আসুন সকলে মিলে এই লকডাউন প্রক্রিয়াকে সফল করে তুলে। সকলে সর্তক থাকুন। সচেতন থাকুন। গুজবে কান দেবেন না। সর্তকতাই একমাত্র আমাদের করোনা মোকাবিলায় প্রধান হাতিয়ার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »