Breaking চীনে নিষিদ্ধ হল কুকুর বিড়ালের মাংস খাওয়া

অবশেষে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ করল চীন।

Breaking News আমার প্রায় সকলেই জানি, চীন এমন একই দেশ যেখানকার নাগরিকরা সব কিছু খায়। সাপ, ব্যাঙ, কুকুর, বিড়াল, আরশোলা ইত্যাদি ইত্যাদি। তারা কি কি খায় তা নিয়ে লিখতে শুরু করলে সারাদিন লেগে যাবে। প্রশ্ন হল কি খায় না তারা।

আরো খবর বিস্তারিত পড়ুন করোনা প্রতিষেধক আবিষ্কারের এক ধাপ এগোল ইজরায়েল

ডিসেম্বর মাস 2019 সালে প্রথম চীনেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান একজন নাগরিক। সেই দিন থেকে শুরু করে সারা বিশ্বে এক মহামারির আকার ধারণ করেছে সারা বিশ্বে।

প্রতিটি দেশ আক্রান্ত হয়েছে এই করোনা ভাইরাসে। মারা যাচ্ছে বহু মানুষ। এখনো কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয় নি। তবে প্রতিটি দেশের চিকিৎসক বিজ্ঞানী সারা দিন রাত পরিশ্রম করছেন করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরী করতে।

দিন দিন বেড়েই চলেছে করোনার প্রকোপ। চলছে লকডাউন। মানুষ নিজেদের ঘরে বন্দী করে রেখেছেন।

Breaking News Corona

এমত অবস্থায় গত কয়েকদিনে আরো কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চীনে। এই পরিস্থিতিতে চীনের শেনজেন শহরের প্রশাসন নিষিদ্ধ করলে কুকুর ও বিড়ালের মাংস। কিছু বিজ্ঞানীদের ধারণা পশুর দেহ থেকে করোনা ভাইরাস মানব দেহে সংক্রামিত হচ্ছে। উহান প্রদেশের বাজার থেকে ঐ রোগের সংক্রামন হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। সেই বাজারে নানা জাতির পশুর মাংস বিক্রি হয় বাদ যায় না বাদুড়, সাপ সহ নানা প্রজাতির প্রাণী।

অন্য আরো খবর আছে কোন Blood Group করোনা ভাইরাস বেশী সংক্রামক হয় কি বলছেন বিজ্ঞানীরা জেনে নিন

সারাদেশ জুড়ে মহামারির আকার ধারণ করেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। মারা যাচ্ছেন বহু মানুষ। প্রতিটি দেশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর বেহাল দশা।

গত মাসেই চীনে বন্যজন্তুদের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ করেছিলেন চীন সরকার।

Breaking News

করোনাভাইরাস আসলে গবেষণাগারে বানানো রাসায়নিক মারণাস্ত্র এমন দাবি আগেই তুলেছিল আমেরিকা। সেই নিয়ে চিন-মার্কিন দ্বন্দ্ব এখনও চলছে। পাল্টা চিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল মার্কিন সেনেরাই ভাইরাস বয়ে এনেছিল উহানে। সেই সংক্রমণই ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। দোষারোপ-পাল্টা দোষারোপের মধ্যেই হঠাৎ করে চিন দাবি করে করোনার সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে তাদের দেশে। হুবেইতে মহামারী থেমে গেছে। এমনকি এ খবরের সত্যতা প্রমাণ করতে হুবেই প্রদেশের লকডাউনও তুলে দেওয়া হয়। ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন এমন ছবিও সামনে আনে চিনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

প্রতিটি দেশে চলছে করোনা প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্ঠা। যত দ্রুত এই প্রতিষেধক আবিষ্কার হবে তত তাড়াতাড়ি করোনা মোকাবিলায় আর একটি পদক্ষেপ নিতে পারবে বিশ্ব।

হয়তো বেচে যেতে পারে বহু মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »