লকডাউনে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছে একদল তাঁতশিল্পী

লকডাউনের ফলে কাজ বন্ধ তাঁতশিল্পে। দৈনিক মজুরিতে কাজ করা শ্রমিকরা কর্মহীন। একদল তাঁতশিল্পী অবশেষে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছেন। দেখুন বিস্তারিত

তাঁতশিল্পী একদল শ্রমিক সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

[jetpack_subscription_form show_only_email_and_button=”true” custom_background_button_color=”undefined” custom_text_button_color=”undefined” submit_button_text=”সবার আগে খবর পেতে Subscribe করুন বিনামূল্যে” submit_button_classes=”undefined” show_subscribers_total=”true” ]

লকডাউন শুরু হওয়াতে বিভিন্ন রাজ্যে আটক ছিলেন ভিন্ন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিক। অথবা এমনও জানা গেছে নিজের রাজ্যেই বিভিন্ন জেলায় আটকে আছে অন্য জেলার শ্রমিকরা। বাড়ি ফিরছেন তাঁতশিল্পীরা।

আরো খবর বাঙ্গুর হাসপাতাল থেকে কেন পালাচ্ছিল করোনা রোগী ?

এরই মাঝে বাড়ি ফিরছেন বহু শ্রমিক। 34 নং জাতীয় সড়কে দেখা গেল সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছেন একদল তাঁতশিল্পীরা। ওনারা লকডাউনে আটকে ছিলেন শান্তিপুর ফুলিয়াতে। লকডাউনে বন্ধ যানবাহ তাই সাইকেল চালিয়ে কোচবিহার থেকে আসা তাঁতশিল্পীরা বাড়ি ফিরছেন।

নদীয়া জেলার শান্তিপুর ফুলিয়া হল বাংলার তাঁতের কাপড় তৈরীর প্রধান একটি স্থান। শান্তিপুরে এই কাজের সাথে যুক্ত আছেন স্থানীয় তাঁতশিল্পী সহ বহু অন্য জেলা বা অন্য রাজ্য থেকে আসা শ্রমিক।

লকডাউনে আটকে ছিলেন তারা। জানা গেছে গোটা 26 জন তাঁতশিল্পী শ্রমিক এবার সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছেন শান্তিপুর ফুলিয়া থেকে। ওনারা কোচবিহারের বাসিন্দা।

শান্তিপুর থেকে কোচবিহার দূরত্ব প্রায় সাড়ে পাঁচশো কিলোমিটার। জাতীয় সড়ক দিয়ে সাইকেল চালিয়ে ফিরছেন তারা।

লকডাউনের জেরে কাজ বন্ধ তাঁতশিল্পীদের। তারা দৈনিক মজুরি কাজ করতে। লকডাউনের ফলে সূতো আসা বন্ধ তাই তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তারা ভেবেছিলেন 14ই এপ্রিলের পরে হয়তো লকডাউন উঠে যাবে। এবং পুনরায় তারা কাজ শুরু করতে পারবেন। কিন্তু লকডাউন বেড়ে যাওয়ার ফলে আরো অনিশ্চিত হয়ে পড়লেন তাঁতশিল্পের সাথে যুক্ত কোচবিহার থেকে আসা তাঁতশিল্পীরা।

এমনকি দ্বিতীয় দফায় লকডাউন বেড়ে যাওয়ার ফলে তাদের কাছে প্রায় টাকা পয়সা শেষ হতে থাকে এমনকি খাওয়া জোগার করতে পারতেন না অনেকে।

তারা তাদের মালিকের কাছে সাইকেল চেয়েছিলেন বাড়ি যাওয়ার জন্য। অবশেষে মালিক সাইকেল ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

বিনামূল্যে জ্যোতিষ ম্যাগাজিন পরুন অনলাইনে

তাই এবার সেই সাইকেল চালিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন তারা। শান্তিপুর থেকে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছেন তাঁতশিল্পীরা। মালিক পক্ষ সাইকেল এর সাথে সাথে কিছু টাকাও দিয়েছেন পথ তো অনেকটা প্রায় সাড়ে পাঁচশো কিলোমিটার।

এমনকি তারা জানেন যে রাস্তায় হয়তো তেমন পেট ভরার মতো খাবার নাও পেতে পারেন তারা। তবু বাড়ি ফিরতে হবে। কাজ নেই। এদিকে লকডাউনে রোজগার বন্ধ। শুরু বেচে থাকার লড়াই।

Enews Express এর পক্ষ থেকে তাদের শুভেচ্ছা রইল। তারা যেন সুস্থ শরীরে নিজেদের বাড়ি ফিরতে পারেন। পৌছে যেতে পারেন তাদের পরিবারের কাছে।

সকলে সর্তক ও সচেতন থাকুন। বর্তমানে আর সর্তকতা করোনা মোকাবিলায় একমাত্র হাতিয়ার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »