রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনের উপায় একদম ঘরোয়া টিপস Bengali Health Tips

রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রন করার সহজ উপায় জেনে নিন

রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনের উপায় – চল্লিশ পেরনোর পর যে কোনও মানুষের মাথাব্যথার কারণ কোলেস্টেরল (cholesterol)। রক্তে কোলেস্টেরলের (cholesterol) মাত্রা বেড়ে গেলে, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

খাওয়ার একদম সময় হাতে নেই। কিছু একটা খেয়ে ফের কাজে তো বসতে হবে। কী খাওয়া যায়?

বাড়ি ফিরে রান্নাবান্নার কোনো ঝামেলা নেই। খাবার ডেলিভারির অ্যাপে অর্ডার দিলেই হল। তা সে খাবারে তেল মশলা থাকুক গে । দিনের শেষে সুস্বাদু খাবার না খেলে হয়? হজম না হলে অ্যান্টাসিড বা কোলা খেয়ে নিলেই হলো। অফিস শেষ হলে ক্লান্ত শরীরটাকে টেনে নিয়ে যেতে যেতে প্রায়ই বারে ঢুঁ দেওয়াটা অভ্যাস হয়ে গেছে। বার না হলেও বাড়িতে সেসব ব্যবস্থা করতে হয়। উইক এন্ড পার্টি আছে।

রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনের উপায় একদম ঘরোয়া টিপস Bengali Health Tips

সব মিলিয়ে যে খাবারের জন্য মানুষ এত পরিশ্রম করে সেই খাবারটাই শরীরে ঠিক মতো যায় না। আর যেটা যায় সেটা পুষ্টিকর নয়। তেল-মশলা, চর্বি, অ্যালকোহন নিয়মিত খাওয়ার ফলে শরীরে জমে চর্বি। কোলেস্টেরলের বেড়ে গিয়ে এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের মতো মারাত্মক কিছু একটা ঘটে যেতে পারে। এখন এরকমের ঘটনা আকছার ঘটছে। সেজন্যই বড় হাসপাতালগুলি চার ইঞ্চি কেটে বাইপাস সার্জারির বিজ্ঞাপনে রাস্তাঘাট, কাগজ ভরিয়ে দিচ্ছে।

সুস্থ থাকতে গেলে শরীরের ভিতর কোলেস্টেরলকে একদম বাসা বাঁধতে দেওয়া যাবে না।

কী এই cholesterol জেনে নিন

কোলেস্টেরল (cholesterol) সরাসরি হার্টের আঘাত করে। হার্টের রক্তচলাচল বন্ধ করে দিয়ে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেয় মানুষকে।

রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনের উপায় – (cholesterol) তিন প্রকার। ভালো কোলেস্টেরল (HDL), খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কোলেস্টেরল। ট্রাইগ্লিসারাইড কোলেস্টেরল সবচেয়ে মারাত্মক। শরীর অসুস্থ করতে খারাপ কোলেস্টেরলের থেকেও ট্রাইগ্লিসারাইড কোলেস্টেরল বেশিমাত্রায় দায়ি।

থাইরয়েডের সমস্যা কে নিয়ন্ত্রন করবেন কি ভাবে ঘরোয়া উপায় জেনে নিন

বয়স বাড়লে উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাত্রা, ওজন বৃদ্ধি, মাদক সেবন ও অ্যালকোহলের অতিরিক্ত ব্যবহা বংশানুক্রম প্রভৃতি নানা কারণে শরীরের কোলেস্টেরল জমা হয়। রোগ ধরা পড়লে তো চিকিৎসকের কাছে তো যেতেই হবে। তার চেয়ে রোগ আগে থেকেই একটু প্রতিরোধের চেষ্টা করা যাক রান্নাঘরের জিনিসপত্র দিয়েই।

রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনের উপায় একদম ঘরোয়া টিপস Bengali Health Tips

দেখে নিন সেগুলো কী কী–

গ্রিন টি

জলের পরেই শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারী তা হল গ্রিন টি। এতে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনোল আছে যা খুব উপকারী । নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলগুলি কমে যায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়। দিনে দুই থেকে তিন কাপ গ্রিন টি পান করা অত্যন্ত জরুরী ।

রসুন

রান্নার অতি প্রয়োজনীয় এবং গুণী কন্দ রসুন। ভারতীয় তথা বাঙালি রান্নায় রসুনের ব্যবহার যথেষ্ট। রসুনে আছে অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, এবং অর্গানোসালফার যার সংমিশ্রণ শরীর থেকে খারাপ কোলেস্ট্রেরল দূর হয়। প্রতিদিনএকটি রসুন খেলে খারাপ কোলেস্টেরল ৯ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।

আমলকি

রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনের উপায় একদম ঘরোয়া টিপস Bengali Health Tips


আমলকিতে উপস্থিত প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ফেনোলিক , খনিজ পদার্থ এবং অ্যামিনো অ্যাসিড এই জন্য প্রাচীন কাল থেকেই ভারতীয় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় আমলকির ব্যবহার চলে আসছে। নিয়মিত আমলিক খেলে ক্ষতিকারণ কোলেস্টেরল প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সমস্যার সমাধান হবেই হবে অব্যর্থ এই তিনটে টোটকায়

ধনে

ধনে বীজ ক্ষতিকর কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে দূর করতে সক্ষম । এর ভেষজ গুণ ভয়ানক। এতে আছে একাধিক ফোলিক অ্যাসিড, ভিামিন এ, বিটা -ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি-এর মতো প্রয়োজনীয় ভিটামিন তা কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে দূর করে।

মেথি

বেশ উপকারী মশলা মেথি। মেথি বীজে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপার্টিজ। মেথি শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে আর এর লিভারে ফাইবারের সংশ্লেষণ কমায়। প্রতিদিন এক চামচ মেথি খেলে কোলেস্টেরল দুরে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »