মধ্যমগ্রামের করোনা আক্রান্ত বিধায়কের উদ্যোগে ভর্তি হাসপাতালে

মধ্যমগ্রামের করোনা আক্রান্ত তিন দিন ঘুরে বেড়ালেন সল্টলেকের রাস্তায় রাস্তায়, বিধায়কের উদ্যোগে ভর্তি হাসপাতালে

বিশেষ প্রতিবেদন Sanjoy Saha : মধ্যমগ্রামের করোনা আক্রান্ত – তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এ কথা জানতে পেরেই পরিবারের মধ্যে যাতে এই রোগ ছড়িয়ে না পড়ে সে কারণে তিন দিন ধরে সল্টলেকের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এক ব্যক্তি।

মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি দিনের বেলায় সল্টলেকের বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরে বেড়াতেন এবং রাত্রে আশ্রয় নিতেন একটি নির্মীয়মান বাড়িতে।

মধ্যমগ্রামের করোনা আক্রান্ত বিধায়কের উদ্যোগে ভর্তি হাসপাতালে

অবশেষে এই খবর জানতে পারেন স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু এবং তারই উদ্যোগে বর্তমানে ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর। জানতে পারে গেছে যে, ওই ব্যক্তি সল্টলেকেরই একটি শপিং মলে গাড়ি পার্কিং এর কাজ করতেন।

আর্থিক উন্নতি তে বাধা কাটানোর সহজ উপায় ঘরোয়া টোটকা

কিন্তু সম্প্রতি তার শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়লে ব্যক্তিটি বাড়ির কাউকে কিছু না জানিয়ে বেরিয়ে যান বাড়ি থেকে। তিনদিন ধরে কাজেও লাগিয়ে তিনি সল্টলেকের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার শরীর অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি তার ভাইকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা খুলে বলেন।

দাদার আক্রান্ত হওয়ার কথা এরপর বাড়িতে জানান আক্রান্ত ব্যক্তির ভাই। বাড়িতেও এই তিন দিন তার সাথে কেউ যোগাযোগ করতে পারছিলেন না, ফলে তারাও অত্যন্ত চিন্তিত ছিলেন।

বাড়ির নেগেটিভ শক্তি দূর করবেন কি করে জেনে নিন ঘরোয়া টোটকা

দাদার সাথে কথা বলার পর মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক সুজিত বসুর সঙ্গে যোগাযোগ করে আক্রান্তের পরিবার। সমস্ত ঘটনা জানার পর সুজিত বসু দত্তাবাদ অঞ্চলের কাউন্সিলর নির্মল দত্তকে পুরো বিষয়টির খোঁজখবর নিতে বলেন।এর পরেই জানা যায় যে একটি নির্মীয়মান বাড়িতে কোন রকমে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে ব্যক্তিটি।

মধ্যমগ্রামের করোনা আক্রান্ত বিধায়কের উদ্যোগে ভর্তি হাসপাতালে

শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের উদ্যোগে শুক্রবার তাকে সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতলে ভর্তি করা হয় এবং আপাতত ব্যক্তিটি সেখানে আইসোলেশন এ রয়েছেন।

Monalisa কালো বিকিনিতে স্বামীর সাথে জলকেলিতে মগ্ন

যদিও এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর আতঙ্ক ছড়িয়েছে সল্টলেকবাসীর মধ্যে। কারণ এই তিন দিনে ওই ব্যক্তি কোথায় কোথায় করেছেন তা কেউই জানেন না। যেহেতু ওই ব্যক্তিকে আক্রান্ত হিসেবে কেউই জানতেন না তাই একাধিক মানুষ তার সংস্পর্শে আসতেই পারেন।

মধ্যমগ্রামের করোনা আক্রান্ত বিধায়কের উদ্যোগে ভর্তি হাসপাতালে

প্রশাসনের পক্ষে এখন ওই ব্যক্তির সাথে কারা বিগত তিনদিন সংস্পর্শে এসেছেন তা খুঁজে বার করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। কীভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা সম্ভব হবে সেটাই স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। নিশ্চিত ভাবে এ ধরনের ঘটনা কোরোনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মানুষের মধ্যে থাকা আশঙ্কা,ভয় এবং অসচেতনতাকে আবারও সামনে আনলো।

তাই মানুষের মনে যাতে করোনা নিয়ে আরো সচেতনতাবোধ জেগে ওঠে এবং কেউ যেন বৃথা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে না পড়েন সেই বিষয়ে আরও অধিক প্রচার চালানোর কথা ভাবছে স্থানীয় প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »