ইউরিক অ্যাসিড কমানোর উপায় নিয়ম গুলো জেনে নিন Bengali Health Tips

ইউরিক অ্যাসিডের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন জেনে নিন এই সহজ নিয়ম

ইউরিক অ্যাসিড কমানোর উপায় – অনেকেই শরীরে ইউরিক অ্যাসিড (uric acid) বেড়ে যাওয়ার সমস্যার সঙ্গে পরিচিত। স্বাভাবিকের থেকে বেশি ওজন (weight) হলেও ঝুঁকি থাকে। গেঁটে বাত, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যা-সহ নানা রকমের অসুখ।

আর্থিক উন্নতি তে বাধা কাটানোর সহজ উপায় ঘরোয়া টোটকা

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং খাদ্যাভাসের কারণে ইউরিক অ্যাসিডের (uric acid) সমস্যায় কষ্ট পান অনেকেই। বিশ্বের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি মানুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত। প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ ইউরিক অ্যাসিডে (uric acid) গাঁটের ব্যথায় শয্যাশায়ী । আমেরিকান কলেজ অফ রিউম্যাটোলজির এক গবেষণাপত্র থেকে এই তথ্য প্রকাশিত ।

ইউরিক অ্যাসিড কমানোর উপায় নিয়ম গুলো জেনে নিন Bengali Health Tips

Bengali Health Tips 

বিশেষজ্ঞদের মতে ইউরিক অ্যাসিড কমানোর উপায়, যাঁরা প্রত্যেকদিন প্রচুর পরিমাণে মাছ-মাংস খান, তাঁদের ইউরিক অ্যাসিড (uric acid) বেড়ে যাবার ঝুঁকি প্রবল। মদ্যপান ও কার্বোনেটেড কোলা জাতীয় ঠাণ্ডা পানীয় নিয়ম করে খেলেও ইউরিক অ্যাসিড (uric acid) বেড়ে যায় । স্বাভাবিকের থেকে বেশি ওজন ঝুঁকিপূর্ণ । অনেকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা কিছুটা বংশগত।

গেঁটে বাত (Gout) কী এবং ইউরিক অ্যাসিডের (uric acid) সঙ্গে এর কী সম্পর্ক ?

শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের উচ্চ মাত্রার উপস্থিতির ফলে গেঁটে বাতের মতো একাধিক সমস্যা হতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হাঁটু-সহ বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে ইউরিক অ্যাসিড জমা হয় এবং তাতে অস্থিসন্ধি ফুলে গিয়ে এবং ব্যথা হয়।

শিশুদের শরীরে করোনার লক্ষণ গুলি কি কি জেনে নিন কি ভাবে সর্তক থাকবেন

সাধারণত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যায়। উ। দেহে উচ্চ মাত্রার ইউরিক অ্যাসিডের উপস্থিতির কারণে গেঁটে বাত, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যা-সহ নানা রকমের অসুখ হতে পারে।

ইউরিক অ্যাসিড কমানোর উপায় নিয়ম গুলো জেনে নিন Bengali Health Tips

গেঁটে বাতের (Gout) কারণ কী?

মূত্রের মাধ্যমে যে পরিমাণ স্বাভাবিক ইউরিক অ্যাসিড বেরিয়ে যায়, তার চেয়ে বেশি পরিমাণ যখন শরীর ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে, তখনই সমস্যা হয়। তবে একটু সচেতন হলে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলে ইউরিক অ্যাসিড অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যায় ।

কী কী খাবার বন্ধ করতে হবে?

কৃত্রিম রং, কর্ন চিনি বা সিরাপ দেওয়া খাবার ,কোলা , রং দেওয়া জেলি, জ্যাম, সিরাপ, কৌট বন্দি ফ্রুট জ্যুস , স্মোকড ও ক্যানড ফুড খাওয়া চলবে না। আচার, চানাচুর, নোনা মাছ খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। পালং শাক, বিনস, বরবটি, রাজমা, মুসুর ডাল খেলে ইউরিক অ্যাসিড বাড়ে

সুবর্ণা রায়চৌধুরী মতে, রান্না করা শিম, কড়াইশুঁটি, ঢ্যাঁড়স বা টোম্যাটো খেলে কোনও সমস্যা হয় না । পালং শাক, পুঁই শাক, মুসুর ডাল, বিউলি ডাল, মাটন, সমুদ্রের মাছ খাওয়া যাবে না । মাছ, চিকেন বা ডিম খাওয়া যায়। তবে সব মিলিয়ে দিনে ৫০ গ্রামের বেশি নয়।

পুষ্টিবিদদের মতে, মাছ বা চিকেন নিয়মিত খাওয়া গেলেও, মাছের মুড়ো, চিকেন বা মাটনের মেটে বাদ দিন। রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেলে মূত্রনালীতে ইউরিক অ্যাসিড জমে স্টোন তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই দিনে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লিটার জল খান। ওজন স্বাভাবিক রাখতে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x
Translate »